স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবা লিগ শুরু হলো

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবা লিগ শুরু হলো

প্রবাহবার্তা,তানিয়া আলী চৌধুরী :  বাংলাদেশ দাবা প্রিমিয়ার লীগ-২০২২ এর আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে উদ্ভোধন হয়েছে । শাহ্ সিমেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবা লিগ ও প্রথম বিভাগ দাবা লিগ উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের  সহ -সভাপতি , কে এম শহিদউল্যা । উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক ,সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম , যুগ্ম -সম্পাদক , সোয়েব রিয়াজ আলম , এড.ডিআইজি.পুলিশ, মাসুদুর রহমান মল্লিক দিপু , কার্যকরী সদস্য , মনিরুজ্জামান পলাশ , মাহমুদা হক চৌধুরী মলি , সজল মাহমুদ।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবা লিগ ও প্রথম বিভাগ দাবা লিগ উপলক্ষ্যে গত বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরাতন ভবনে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ক্রীড়া কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহিদুল্লাহ চৌধুরী।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহসভাপতি কে এম শহিদউল্যা, বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাব উদ্দিন শামীম, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদুর রহমান মল্লিক দিপু ও আন্তর্জাতিক দাবা বিচারক মো. হারুন অর রশিদ,কার্যকরী সদস্য , মনিরুজ্জামান পলাশ ।১১ দিনব্যাপী দাবা লিগের খেলা রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রিমিয়ার ডিভিশন দাবা লিগে ১২টি দল অংশগ্রহণ করছে। দলগুলো হচ্ছে- গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ পুলিশ, গতবারের রানার্সআপ শাহিন চেস ক্লাব, সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাব, বাংলাদেশ বিমান, তিতাস ক্লাব, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী, শেখ রাসেল চেস ক্লাব, জনতা ব্যাংক অফিসার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, লিওনাইন চেস ক্লাব, রূপালী ব্যাংক ক্রীড়া পরিষদ এবং ম্যানহাস।

লিগে বিভিন্ন দলের পক্ষে ১৮ জন গ্র্যান্ডমাস্টার অংশ নিচ্ছেন। যার মধ্যে বাংলাদেশের ৫ গ্র্যান্ডমাস্টার, ভারতের ১১ গ্র্যান্ডমাস্টার, জর্জিয়ার একজন গ্র্যান্ডমাস্টার ও ইরানের একজন গ্র্যান্ডমাস্টার রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন