মোঃ ডালিম মাহমুদ তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন স্বচ্ছ আওয়ামী লীগের নিবেদিত কর্মির নাম

মোঃ ডালিম মাহমুদ তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন স্বচ্ছ আওয়ামী লীগের নিবেদিত কর্মির নাম

মোহাম্মদ মেসবাহ্ উদ্দিন আলাল ইউরোপ বুরো চীপ.. বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির থেকে শুরু যিনি বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত, একেবারে তৃণমূল থেকে শুরু যার যাত্রা । ঢাকা বিভাগ নরসিংদী জেলা রায়পুরা উপজেলা কৃতি সন্তান আওয়ামী লীগের দূর্রসময়ে সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার তৌশিকুর রহমান ঐক্য পরিষদ, সহ-সভাপতি বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ নরসিংদী জেলা, মোঃ ডালিম মাহমুদ। ইতালি ভেনিস মেস্তে শহরের নিকটবর্তী ঢাকা বিরানি হাউস রেস্টুরেন্টের হলরুমে নরসিংদীবাসী নিয়ে তার নিজস্ব উদ্যোগে ভেনিস শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এর পদপ্রার্থী হিসেবে নরসিংদী বাসী সকাল কে নিয়ে আলোচনা ও মত বিনিময় সভায় আয়োজন করেন। উক্ত সভা নরসিংদী জেলা সমিতি ভেনিস এর সভাপতি মনির হোসেন সভাপতিত্বে পরিচালনা করেন আমির হোসেন নিলয়।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নরসিংদি জেলা সমিতি ভেনিস এর সহ-সভাপতি রবিন মিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে জাইদুর রহমান দেওয়ান , আবদুল মান্নান, নাজমুল হক, হুমায়ূন কবির, সাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলমগীর, মাহবুব মিয়া,প্রমূখ। তার ব্যাপক পরিচিত রয়েছে নরসিংদির জেলা আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে। আলোচনা ও মতবিনিময় সভা উপস্হিতি নরসিংদী জেলাবাসী সবাই ডালিম মাহমুদ কে ইতালি ভেনিস শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখলাম চায়। এবং ডালিম মাহমুদ এর বক্তব্যে আরও বলেন পরবর্তী আলোচনা ও মতবিনিময় সভা ভেনিস বসবাসরত আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ সকল নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আয়োজন করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন