মুছে ফেলে হয়েছে আফগানিস্তানে নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নামফলক

মুছে ফেলে হয়েছে আফগানিস্তানে নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নামফলক

র্প্রবাহবার্তা ডেস্ক :আফগানিস্তানে নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নামফলক মুছে ফেলে বসানো হয়েছে নীতিনৈতিকতা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফলক।

রাজধানী কাবুলের তালেবান কর্মীরা শুক্রবার নারী মন্ত্রণালয়ের সাইনবোর্ডগুলোর জায়গায় তালেবানদের এই নতুন নৈতিকতা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাইনবোর্ড লাগিয়। খবর রয়টার্সের

একসময় এ মন্ত্রণালয় কট্টর ধর্মীয় মতাদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করেছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান সরকারের আমলে এ দপ্তর ছিল।

তালেবানি শাসনামলে আফগান নারীদের জন্য বোরকা পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। পুরুষ অভিভাবক ছাড়া তাদের জন্য ঘর থেকে বেরোনো নিষিদ্ধ ছিল। নামাজের সময় মসজিদে যাওয়া এবং পুরুষদের দাড়ি রাখাটা বাধ্যমতামূলক করা হয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে আফগানিস্তানের বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়েছে। এতে দেখা যায়, নারীরা কর্মস্থলের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তারা ভেতরে ঢুকতে চাইছেন কিন্তু তালেবান সদস্যরা তাদের ঢুকতে দিচ্ছেন না।

এক নারী কর্মচারী বলছেন, ‘আমি আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। আমরা এখন কী করে খাব?’

দেশটিতে নারীরা এখন ভয়ে আছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, নারীদের যে অগ্রগতি, তা থমকে যেতে পারে নতুন এই তালেবান সরকারের কারণে।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন