মুক্তিযোদ্ধের চেতনা প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ইতালি প্রবাসী নারীদের বিজয় ফুল উদযাপন

মুক্তিযোদ্ধের চেতনা প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ইতালি প্রবাসী নারীদের বিজয় ফুল উদযাপন

মোহাম্মদ মেসবাহ্ উদ্দিন আলাল ইউরোপ বুরো চীপ.. একাত্তরের বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও মুক্তিযোদ্ধের চেতনা প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতালিতে বিজয়ফুল উদযাপন করেছে প্রবাসী নারী আওয়ামী সমর্থক নেত্রীবৃন্দরা। রাজধানীর রোমে রসই রেস্টুরেন্ট হলরুমে আয়োজিত এই বিজয় ফুল অনুষ্ঠানে নারীনেত্রী মেহেনাস তাব্বাসুম শেলির পরিচালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইতালি আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রব মিন্টু, বাংলাদেশ সমিতি ইতালি সভাপতি আফতাব বেপারী, বাংলাদেশ ক্রীড়া সংস্থা ইতালি সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফজলুল হক ভুট্টো সহ ইতালি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একে অপরকে লাল সবুজের ব্যাচ পরিয়ে দেবার মধ্যদিয়ে উদ্বোধন করা হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়া বিজয়ফুল কর্মসূচির অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দরা বলেন বহির্বিশ্বে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে বিজয় ফুল হয়ে ওঠেছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক।আর এই প্রতীক প্রবাসে বেড়ে ওঠা আগামী প্রজন্মের মধ্য ছড়িয়ে দিতে ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের সাংস্কৃতিকে পরিচিত করিয়ে দিতে এ বিজয়ফুল কর্মসূচি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা শুধু মাত্র একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলো যেখানে এই বাঙালি জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। তাই সকলের উচিত এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করা। মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন: ‘আমরা দেশে বা প্রবাসে যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের মধ্যে দেশ প্রেম জাগ্রত করতে হবে। আমাদের অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয়ের ইতিহাস পরিপূর্ণ ও সঠিক ভাবে জানতে ও আগামী প্রজন্ম কে জানাতে হবে। আর তাই এই ধরনের কর্মসূচি ও আয়োজন গুলো আমাদের বেশি বেশি করে করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘ডিসেম্বরের এই বিজয় আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছে আর এই স্বাধীনতা যার জন্য আমরা পেয়েছি তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’ এসময় প্রবাসী নারী আওয়ামী নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোবাইদা গুলশান আরা সিমু, সুলতানা নিগার মিতা, শিল্পী চৌধুরী, মলিন তাহের, সাবিকুন নাহার রত্না, দিনা ইসলাম, নাসরিন আক্তার, জুহুরা আক্তার ঈশিতা, জাহান রুবি, দিনা ইসলাম, শিল্পী, তাসলিমা বেগম, রুমিতা ঘোষ, রীমা, সুমি, লিজা, ছাড়াও আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে সঞ্চারী সংগীতায়নের কর্ণধার সুস্মিতা সুলতানার তত্ত্বাবধায়নে শিশু কিশোরদের গান ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে আনন্দে মাতিয়ে রাখে আমন্ত্রিত অতিথিদের।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন