মাটিরাঙ্গায় দুলাভাইয়ের হাতে শালী খুনের আসামি আটক

মাটিরাঙ্গায় দুলাভাইয়ের হাতে শালী খুনের আসামি আটক

এ এম ফাহাদ (খাগড়াছড়ি): খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সুমাইয়া আক্তার সেতু নামে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পলাতক এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত আসামির নাম মঞ্জুর আলী সাগর। আসামি এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরী সম্পর্কে শালি-দুলাভা। বাকবিতণ্ডার জেরে দুলাভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কুপে ঘটনাস্থলেই মারা যান শালি সুমাইয়া আক্তার সেতু। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক। তিনি বলেন, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে আটক আসামি। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় পুলিশ সুপার আরোও বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মঙ্গলবার নিহত কিশোরীর বাবা আবদুর রহমান মিয়া বাদী হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেলের সূত্র ধরে ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আসামি মঞ্জুর আলী সাগরকে রাত আড়াইটার দিকে মাটিরাঙ্গা বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে সে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে উল্লেখ করে এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামি ছাড়াও অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলার খেদাছড়া আমবাগান এলাকার নিজ ঘরে খুন হোন কিশোরীর সুমাইয়া আক্তার সেতু। ঘটনার সময় কিশোরী বাড়িতে একা ছিলো বলে জানায় পুলিশ। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন