মনোয়ারা তাহির আবারো লেডিস ক্লাবের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন

মনোয়ারা তাহির আবারো লেডিস ক্লাবের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন

প্রবাহবার্তা, আহমেদ সাব্বির রোমিও : টানা দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা লেডিস ক্লাবের সেক্রেটারি নির্বাচিত হলেন সমাজ সেবিকা ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মনোয়ারা তাহির। গত শনিবার (২১ মে) ২০২২-২০২৪ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন আনিসা হক ও সেক্রেটারি নির্বাচিত হন মনোয়ারা তাহির। মনোয়ারা তাহির সাবেক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মরহুম মোহাম্মদ তাহিরের স্ত্রী। তিনি ঢাকা লেডিস ক্লাব ছাড়াও অফিসার্স ক্লাবের ( মহিলা কমিটি) সাবেক কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। পাশাপাশি ইনার ক্লাব লিমিটেড, ওমেন্স ভলেন্টারি অর্গানাইজেশনের সঙ্গে যুক্ত মনোয়ারা। ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী মনোয়ারা তাহির একাধারা একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বও। সমাজ ও ক্রীড়ায় বিশেষ অবদান রাখায় ইউনাইটেড মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস তাকে দিয়েছে হাজী মো. মহসিন পদক।এছাড়া মাদার তেরেসা নভেল পিস অ্যায়ার্ড, মহান বিজয় দিবসে নারী উদ্যোক্তা বাংলাদেশ পদক অর্জন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের একজন সদস্য। মনোয়ারা তাহির ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ে ও দুই ছেলের গর্বিত জননী। যারা সকলেই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। একমাত্র মেয়ে ফারহানা তাহির বাংলাদেশে বিশ^ব্যাংকের একটি প্রজেক্টে কর্মরত। বড় ছেলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. কুদরত-ই-খুদা। ছোট ছেলে রেদোয়ান-ই খুদা বাংলাদেশ সুপ্রিক কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন