বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব আল হাসান

বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব আল হাসান

দৈনিক প্রবাহবার্তা : সাকিব আল হাসানকেই বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে বাছাই করেছে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকদের প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)।শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংগঠনটির ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাকিবকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদের সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে সাকিবের হাতে সম্মাননা তুলে নেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা কিংস ক্লাবের সভাপতি ইমরুল হাসান ও এআইপিএস এশিয়ার সভাপতি হি-দং-জং।‘হীরক জয়ন্তী’ উপলক্ষ্যে এদিন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএসপিএ। রাজধানীর একটি হোটেলে বিকাল ৫ টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান।ফুটবলের রাজা পেলের প্রয়াণ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসের দশ সেরা ক্রীড়াবিদের নাম ঘোষণা করা হয়। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক পুরস্কার।

বিএসপিএ জানায়, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সাফল্য এবং জনপ্রিয়তার বিচারে সেরা দশ ক্রীড়াবিদকে বাছাই করেছে স্বাধীন ও স্বতন্ত্র বিচারকমণ্ডলী। চুলচেরা বাছাই বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া শেষে বিচারকরা চূড়ান্ত ভাবে নির্বাচিত করেছেন বাংলাদেশের সেরা দশ ক্রীড়াবিদকে।

ক্রম অনুসারে মনোনীত শীর্ষ ১০ ক্রীড়াবিদরা হলেন- ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান (১ম), ফুটবলার কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (২য়), দাবাড়ু নিয়াজ মোর্শেদ (৩য়), ফুটবলার মোনেম মুন্না (চতুর্থ), বক্সার মোশাররফ হোসেন (৫ম), ক্রিকেটার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা (৬ষ্ঠ), শুটার আসিফ হোসেন খান (৭ম), স্প্রিন্টার শাহ আলম (৮ম), সাঁতারু মোশাররফ হোসেন খান (৯ম) ও গলফার সিদ্দিকুর রহমান (১০ম)।

একই সঙ্গে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১০ ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখককে হীরক জয়ন্তী সম্মাননা প্রদান করা হয়। এই সম্মাননা পেয়েছেন দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন।

অন্যরা হলেন- প্রয়াত আব্দুল হামিদ, প্রয়াত তৌফিক আজিজ খান, প্রয়াত বদি-উজ-জামান, মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আব্দুল তৌহিদ, প্রয়াত আতাউল হক মল্লিক, মতিউর রহমান চৌধুরী, দিলু খন্দকার ও শহিদুল আজম।

এ ছাড়া বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ‘জয়-বাংলা’ ব্যাটে মুক্তিযুদ্ধের নায়ক, সাবেক বিএসপিএ সভাপতি ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এএসএম রকিবুল হাসানকে।

বিএসপিএর আয়োজনে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল দেশের শীর্ষ ফুটবল ক্লাব বসুন্ধরা কিংস।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন