প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দ্বায়িত্ব প্রদান করেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দ্বায়িত্ব প্রদান করেছেন

প্রবাহবার্তা ওবায়দুল হক খান :বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহের অকাল মৃত্যুতে তার
স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মেজবাহ হোসেন সাচ্চুকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দ্বায়িত্ব প্রদান করায়, জননেতা গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান বাবু ও কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্দ সাথে নিয়ে আজ সকাল ১১ ধানমন্ডী ৩২ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি, সাধারণ সম্পাদক সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক নিরবতা পালন সহ বঙ্গবন্ধু সহ ১৫ অগাস্ট নিহত শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ লিটন, শামীম শাহরিয়ার, সুব্রত পুরকায়স্থ, দেবাশীষ বিশ্বাস, আবদুল আলীম, সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, মালিক লাল ঘোষ, ফারুক আমজাদ খান, কৃষিবিদ আব্দুস সালাম, ড.জমির উদ্দিন শিকদার, এ্যাডভোকেট শাহানাজ ইয়াসমিন, এ্যাডভোকেট সাঈদা, উপদেষ্ঠা আশিষ কুমার মজুমদার, আবু তাহের,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, খায়রুল হাসান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিউল করিম নাফা, আবদুল্লাহ আল সায়েম, আফম মাহাবুব, মেহেদী হাসান, মুকুল, গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক খান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক একেএম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সাখাওয়াত হোসেন কবির, শফিকুল ইসলাম, ফারুক, কেন্দ্রীয় সদস্য হাজী হুমায়ুন কবির মনির তার সাথে ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সভাপতি ইসাহাক মিয়া, কামরুল আহাসান রিপন, সাধারণ সম্পাদক তারেক সাঈদ ও নাজমুল ইসলাম শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সাংবাদিকদের কাছে তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন- স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রোদ্ধাভাজন বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ দাদার অকাল মৃত্যু আমার কোন ভাবে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারছি না। তার অসমাপ্ত কাজগুলো আমি সংগঠনের যোগ্য সাধারণ সম্পাদককে সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করবো। তিনি আরও বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর যে দ্বায়িত্ব অর্পন করেছেন। আমি ও সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু সততার সাথে আমানত হিসেবে অখ্যারে অখ্যরে তা পালন করে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় সরকার গঠনে সংগঠনকে জেলা, উপজেলা, পৌর,ইউনিয়ন সহ ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে সংগঠনকে একটি শক্তিশালি সংগঠনে পরিনত করবো।
সংগঠনের অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে, স্বপ্নের মানস কন্যা, ধন্য পিতার ধন্য কন্যা প্রাধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন