প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদা আপনাদের পাশে থাকতে চাই:দিলীপ কুমার আগরওয়ালা

প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদা আপনাদের পাশে থাকতে চাই:দিলীপ কুমার আগরওয়ালা

দৈনিক প্রবাহবার্তা চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার নবাগত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সম্মানিত সদস্য ও ব্যবসায়ী নেতা দিলীপ কুমার আগরওয়ালা এ কথা বলেন। এ সময়ে তিনি চুয়াডাঙ্গার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মানোন্নয়ন ও দেশব্যাপি বিএনপি-জামায়াত এর সহিংসতার রোধে সজাগ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানান।
তারাদেবী ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম তদারকি করতে এবং তৃনমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা সফরকালে গত শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নবাগত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এফবিসিসিআই-এর পরিচালক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তারাদেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়োশনের (বাজুস)-এর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।এ সময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশকে ইতিপূর্বে উপহার হিসেবে ০৪ গাড়ী প্রদানের জন্য নবাগত পুলিশ সুপার দিলীপ কুমারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘আমি চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গাসহ এই অঞ্চলের উন্নয়নে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি এবং ভবিষ্যতেও রাখবো। আমার নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গার সকল ভালো কাজের সাথে আমি ছিলাম, আছি এবং থাকবো। চুয়াডাঙ্গার সন্তান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদা আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’ পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন