টাঙ্গাইলে মানবিক উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার এবং ভ্যান বিতরণ করেছেন ফাতেমা মানবকল্যান ফাউন্ডেশন

টাঙ্গাইলে মানবিক উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার এবং ভ্যান বিতরণ করেছেন ফাতেমা মানবকল্যান ফাউন্ডেশন

দৈনিক প্রবাহবার্তা রুপম রুহুল টাঙ্গাইল থেকে : বৃহস্পতিবার ৮ ( সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে ৷ ফাতেমা মানবকল্যান ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩১ জনকে সেলাই মেশিন , ০৪ জনকে হুইল চেয়ার ও ০১ জনকে ভ্যান প্রদান করা হয় ৷ উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ এর সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আনসারী, গ্লোব গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আরিফ-উল ইসলাম সোহেল, পৌরসভার ১৫নং ওর্য়াড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহেল ওয়ারেছ হুমায়ুন, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), ক্লিন টাঙ্গাইলের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন চাকলাদার শাহীন।অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রধান উপদেষ্টা কামরুজ্জামান খান।সঞ্চালনায় ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহিবুল বারীদ সোয়াদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাছিম আহাম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আওয়াল মিঞা প্রমুখ। বক্তারা এরকম আয়োজনে উৎসাহবোধ করেন। ফাতেমা মানবকল্যান ফাউন্ডেশন ২০২০ সাল থেকে তার কার্যক্রম শুরু করে। ইতিমধ্যে অসংখ্য মানুষকে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, ভ্যান, কম্বল ছাড়াও চিকিৎসাখাতে জরুরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। উক্ত ফাউন্ডেশনের যাবতীয় ব্যয়ভার আমেরিকা প্রবাসী তৌফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল সাহেবের একক অনুদানে পরিচালিত হয়। তিনি তার মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে মায়ের নামে উক্ত ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন