টাঙ্গাইলের বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

টাঙ্গাইলের বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

দৈনিক প্রবাহবার্তা অর্ণব আল আমিন ,বাসাইল,টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে বাসাইল প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম অধিবেশনে বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রুবেল মিয়া সভায় ২০২২ সালের কার্যকরি কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কোষাধ্যক্ষ আরিফুল ইসলাম আয় ব্যায়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রুবেল মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাসাইল প্রেসক্লাব ও বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,বাসাইল প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা আশিকুর রহমান পলাশ,বাসাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা এম শহিদুল ইসলাম, বাসাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও  রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান,বাসাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কে ভূঁইয়া সোহেল,বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি শাহানাজ খানম,বাসাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এনায়েত করিম বিজয়, বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সম্পাদক অর্ণব আল-আমিন,ক্রীড়া সম্পাদক মিলন ইসলাম,সাহিত্য সম্পাদক মো. শরিফুজ্জামান, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন,কার্যকরী সদস্য তোফাজ্জল হোসেন, সহদেব সূত্রধর, সাইদুল ইসলাম দিপু সহ অন্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাসাইল পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম আহমেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মলি আক্তার,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন,দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ সহ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন