টাঙ্গাইলের বাসাইলে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন-মিছিল

টাঙ্গাইলের বাসাইলে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন-মিছিল

দৈনিক প্রবাহবার্তা অর্ণব আল আমিন, বাসাইল, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের আইসড়া গ্রামে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে আইসড়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের ভোগান্তির শিকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ফুলকি ইউপি সদস্য লোকমান মিয়া, বাবুল সরকার, মর্জিনা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য মির্জা আব্দুল খালেক, নিজামুদ্দিন, ফুলকি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মজনু মিয়া ও সমাজকর্মী কাইয়ুম সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, অর্ধশত বছরের পুরানো রাস্তাটি ইতোপূর্বে সরকারি বরাদ্দে সংস্কার করা হয়। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রাস্তার দুই পাশে পুকুর খনন ও ঘর বাড়ি বানিয়ে জবরদখল করে রেখেছেন। তারা গ্রামবাসীর অনুরোধ এবং অসুবিধার তোয়াক্কা করেন না। উল্টো ভয়ভীতি হুমকি ধমকি দেয়। অথচ ওই রাস্তা দিয়ে আইসড়া প্রতিবন্ধী স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও বাজারসহ বিভিন্নস্থানে প্রতিদিন হাজারো লোক যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয় জবরদখলকারীদের আগ্রাসনে রাস্তাটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তারা রাস্তাটি জবরদখলমুক্ত করে ব্যবহার উপযোগী করার দাবি করছি। অন্যথায় এলাকাবাসী আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহন করতে বাধ্য হবেন।

এরআগে এলাকার শিশু ও নারী-পুরুষরা বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করে।

ফুলকি ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল আলম বিজু  বলেন, মানুষের চলাচলের জন্য এ রাস্তাটি অতীব প্রয়োজন। কয়েকজন অসৎ লোক জনসাধারণের বহুল ব্যবহৃত পুরাতন রাস্তাটি জবরদখল করে রেখেছেন। ফলে ওই এলাকার হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবির সাথে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি। অনতিবিলম্বে  উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে জনস্বার্থে রাস্তাটি উদ্ধার করার ব্যবস্থা নিবো।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া আক্তার  বলেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য রাস্তাটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন