জামায়াত পন্থীদের সুবিধা দিতে আঞ্চলিক পরিচালক হতে চান আব্দুল খালেক সরকার

জামায়াত পন্থীদের সুবিধা দিতে আঞ্চলিক পরিচালক হতে চান আব্দুল খালেক সরকার

দৈনিক প্রবাহবার্তা নওগাঁ ও যশোর প্রতিনিধি:সম্প্রতি যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো: আব্দুল খালেক সরকারকে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক করার জন্য শিক্ষামন্ত্রণালয়ে বদলীর আদেশ প্রক্রিয়াধীন বলে একটি বিশ্বস্থ সুত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, প্রফেসর মো: আব্দুল খালেক সরকার আওয়ামী পরিবারের সন্তান হলেও ছাত্র জীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির ক্যাডার ছিলেন। এমনকি বর্তমান সময়েও সংগঠনে অতি গোপনে মাসিক ইয়ানত (চাাঁদা) প্রদান করে আসছেন বলে জানা যায়।
ইতিমধ্যে যশোর পৌর আওয়ামীলীগের এক সদস্য তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, প্রফেসর মো: আব্দুল খালেক সরকার বিএনপি ও জামায়াতপন্থী কর্মকর্তাদের যোগসাজসে একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তার অধিনস্থ জামায়াত পন্থী কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদোন্নতি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে সাহায্য ও তদবির করেন।

৮০’র দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়াশোনার সময়ে বিশ্ববিদ্যারয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা শিবির ঘাটি বলে খ্যাত বিনোদপুরের শিবিরের ম্যাচে অবস্থান করে রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করতেন।

তার নিজ এলাকা নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি ত্যাগী আওয়ামী পরিবারের সন্তান। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার সময় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাত্র ৫/৬ মাস চাকুরির মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে জামায়াত-শিবির অধ্যষিত রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। যাতে করে বিভিন্ন অভিযোগে আটকে থাকা ঐ অঞ্চলের কলেজসমূহের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও সহজেই ছাড় করতে পারেন।

গোপনসুত্রে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যশোর শিক্ষা বোর্ডে পূর্ণনিয়ন্ত্রণ করার জন্য বোর্ডের সচিবসহ তার পছন্দের কর্মকর্তাদের পদায়নের জন্য প্রফেসর মো: আব্দুল খালেক সরকারের সাথে আতাত করে এই বদলী বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন