চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে ১১,১২,১৩ ও ১৪ তম ব্যাচের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে ১১,১২,১৩ ও ১৪ তম ব্যাচের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান

দৈনিক প্রবাহবার্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ আলমগীর হোসেন: চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে ১০ আগষ্ট‌‌‌‌‌’দেশ বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান’ প্রকল্প ড্রাইভিং উইথ অটোমেকানিক্যাল কোর্সের ১১,১২,১৩ ও ১৪ তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের বরণ করার জন্য নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মোঃ নাজিম উদ্দিন (প্রশিক্ষক) এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মঈন উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (সিনিয়র শিক্ষক) মোহাঃ সাঈদী হোসেন এছাড়াও অত্র প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারিক প্রশিক্ষক মোঃ মুনিরুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাকির হোসেন চীফ্ ইন্সট্রাক্টর অটোমোটিভ চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন অত্র প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থী মোঃ আলমগীর হোসেন,ইয়ামিনসহ আরো অনেকে। ব্যবহারিক বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষক মোঃ মুনিরুজ্জামান বলেন,প্রশিক্ষণ কঠিন হলে যুদ্ধ করা সহজ হবে। ব্যবহারিক হচ্ছে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। যার উপর নির্ভর করে সামনে দিকে অগ্রসর হওয়ার গতি। তবে সকল প্রশিক্ষণার্থীদের ধৈর্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহনে গভীর মনোনিবেশ থাকতে হবে। মোহাঃ সাঈদী হোসেন,সিনিয়র শিক্ষক বলেন, বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। কারিগরি বিষয়ে দেশের যুবসমাজ পারদর্শী হলে বেকার সমস্যা দূর করা সম্ভব। এছাড়াও কোন কাজ কে ছোট করে না দেখার আহ্বান জানান তিনি। প্রধান অতিথি মঈন উদ্দীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, ড্রাইভিং এর গুরুত্ব নিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে আলোচনা করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশ প্রায় প্রতিদিন-ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে যার প্রধান কারণ হলো অদক্ষ ড্রাইভার এবং অতিরিক্ত আত্নবিশ্বাস। আর অতিরিক্ত আত্নবিশ্বাসের ফলে ঘটে যাওয়া সড়ক দূর্ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ ও বেশি হয়। এসব সড়ক দূর্ঘটনা তাদের মাধ্যমে খুব বেশি ঘটে যারা ভালোভাবে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অবৈধভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষ ড্রাইভার তৈরির জন্য চেষ্টা করছে।এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিটি জেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের সুযোগ দিচ্ছেন সরকার।এমন কি প্রশিক্ষণ ভাতাসহ সরকারি ফি দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া তিনি আরোও বলেন, ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শেষে কোন প্রশিক্ষণার্থী বেকার থাকে না,তারা সরকারি-বেসরকারি প্রকিষ্ঠানে চাকুরীসহ বিদেশ যাওয়ার সুযোগ লাভ করে থাকে। এতে দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে। মোঃ জাকির হোসেন চীফ্ ইন্সট্রাক্টর(অটোমোটিভ) বলেন, প্রশিক্ষক কার্যক্রম একটি জটিল প্রক্রিয়া সরকার প্রশিক্ষণের যে সুযোগ প্রদান করেছে তা পুরোপুরি গ্রহন করতে হবে।এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহন করে নিজের পেশা হিসেবে গ্রহন করার। আহব্বান জানিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের সুন্দর জীবন কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন