একলক্ষ্য টাকা প্রাইজ মানি সহ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন“কৃষ্ণপক্ষ”চলচ্চিত্রের নির্মাতা-মৃত্তিকা রাশেদ

একলক্ষ্য টাকা প্রাইজ মানি সহ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন“কৃষ্ণপক্ষ”চলচ্চিত্রের নির্মাতা-মৃত্তিকা রাশেদ

দৈনিক প্রবাহবার্তা বিনোদন প্রতিবেদন : পর্দা নামলো ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। ১৪ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় ৯ দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটি। এতে ৭১টি দেশের ২৫২টি সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। গতকাল সমাপনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও উৎসবের পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল। এ আয়োজনে ৭ টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৮টি পুরষ্কার দেয়া হয়েছে।একবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এর ‘অ্যাওয়ার্ড বাই ফিপরেস্কি জুরি সল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সেকশনের দ্বিতীয় রানার আপ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরষ্কৃত হয়েছে মৃত্তিকা রাশেদ এর কৃষ্ণপক্ষ (এ বার্নিং সোল), বাংলাদেশ [ক্যাশ এওয়ার্ড – ১লক্ষ টাকা]। চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে পরিচালক মৃত্তিকা রাশেদ বলেছেন – আমার সিনেমার গল্প আসলে সিনেমাকে ঘিরেই। নব্বই দশকে বাংলাদেশের সিনেমা হলের সংখ্যা ছিল প্রায় দেড় হাজার, বর্তমানে সে সংখ্যা দেড়শো থেকে দুইশ হবে। এই পরিসংখ্যান যখন একজন ফিল্ম জার্নালিস্ট অনুধাবন করতে পারেন, তার মনস্তাত্ত্বিক জগতে ঘটতে থাকে নানান পরিবর্তন। এই একজন মানুষের বিচিত্র অনুভূতিকে আমি ভিজ্যুয়ালাইজ করার চেষ্টা করেছি থ্রু ক্যামেরা এ্যান্ড লেন্স। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমার এ চেষ্টা সার্থক। আমি এক্সপেক্টই করি নি আমার চলচ্চিত্রটি পুরষ্কৃত হবে। আমার কাছে এটি স্বপ্নের মতো কিংবা আমার সিনেমার মতো পরাবাস্তব কিছু। এ পুরষ্কার আমার সিনেমা নির্মানের যাত্রায় সবসময় অনুপ্রেরণা জোগাবে। সামনে আরো ভালো কিছু নির্মানের প্রত্যাশা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। এ ভালোবাসা থেকেই বঙ্গবন্ধু যখন প্রাদেশিক সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তার দূরদর্শিতায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন প্রতিষ্ঠার বিল আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি)।

সিনেমা অঙ্গনকে ভালোবেসে এদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আমৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বঙ্গবন্ধু অভিনীত সিনেমাটির নাম ‘সংগ্রাম’। ছবিটি পরিচালনা করেন প্রয়াত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। এতে ছোট্ট এক ভূমিকায় হাজির হয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি। সে সময়ের চিত্রনায়ক কামরুল আলম খান খসরু ও চাষী নজরুল ইসলামের অনুরোধে ছোট্ট ওই চরিত্রে অভিনয়ে রাজি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

ছবির চিত্রনাট্যের শেষ দিকে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশের সামরিক বাহিনী বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্যালুট করছে। এই দৃশ্য কীভাবে ধারণ করা যায় সে নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। একপ্রকার দুঃসাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ছবিটির নায়ক খসরু। কিন্তু বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাজি হননি। পরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মান্নানকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো হয়।

‘সংগ্রাম’ ছবিটিতে নাযক ছিলেন খসরু আর নায়িকা সূচন্দা। ছবিটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

বঙ্গবন্ধু যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন